আশুগঞ্জ পাওয়ার

বন্ডের অব্যবহৃত অর্থ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের অব্যবহৃত অংশ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিষয়টি বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অন্যান্য এজেন্ডার সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে।

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের অব্যবহৃত অংশ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিষয়টি বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অন্যান্য এজেন্ডার সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, আশুগঞ্জ পাওয়ার বন্ড পাবলিক অফারের মাধ্যমে মোট ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে, যার ৩ কোটি ৯১ লাখ ৬ হাজার ৭৮৫ টাকা এখনো অব্যবহৃত রয়েছে। এ অব্যবহৃত অর্থ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের অনুমোদনের জন্য ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ২৫তম এজিএমে উপস্থাপন করা হবে।

আশুগঞ্জ পাওয়ার বন্ডের ট্রাস্টি চলতি বছরের ৫ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ বছরের দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিক মেয়াদের জন্য বার্ষিক সাড়ে ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে। অর্ধবার্ষিক সময়ের জন্য বন্ডধারীরা ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ মুনাফা পাবেন। কুপন-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি। রেকর্ড ডেট অনুযায়ী, বন্ডহোল্ডারদের তৃতীয় কিস্তির মূলধন অর্থাৎ মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ নির্ধারিত কুপনসহ পরিশোধ করা হবে। রেকর্ড ডেটের পর থেকে বন্ডটির ইউনিটপ্রতি অভিহিত মূল্য দাঁড়াবে ১ হাজার ২৫০ টাকায়।

‌এর আগে বন্ডের ট্রাস্টি ষষ্ঠ বছরের প্রথমার্ধের (৫ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ৪ জুলাই ২০২৫) জন্য বার্ষিক সাড়ে ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছে। অর্ধবার্ষিক সময়ের জন্য বন্ডধারীরা ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন। এছাড়া পঞ্চম বছরের দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিকে (২০২৪ সালের ৫ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত) বন্ডহোল্ডারদের জন্য ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কুপন রেট ঘোষণা করেছিল বন্ডটির ট্রাস্টি।

বন্ডটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি টু’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

আরও